• প্রচ্ছদ
  • »
  • রাজনীতি
  • »
  • জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব হলেন কিশোরগঞ্জের সন্তান মুজিবুল হক চুন্নু

জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব হলেন কিশোরগঞ্জের সন্তান মুজিবুল হক চুন্নু

সাতকাহন ডেস্ক

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু দলটির নতুন মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন। দলের সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ আজ শনিবার বিকেলে এ তথ্য জানিয়েছেন।

শনিবার বিকেলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম দফতর সম্পাদক মাহমুদ আলমের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এর আগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত ওই সাংগঠনিক আদেশে বলা হয়েছে, ২ অক্টোবর পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর মৃত্যুজনিত কারণে মহাসচিবের পদটি শূন্য হওয়ায় ৯ অক্টোবর এ নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

নতুন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। তিনি মোট পাঁচ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন এ আসন থেকেই।

মুজিবুল হক চুন্নু সম্পর্কে
মুজিবুল হক চুন্নু ১৯৫৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার কাজলা মধ্যপাড়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম প্রয়াত মুন্সী আব্দুল মালেক এবং মাতা প্রয়াত হারুননেসা।

১৯৬০ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করেন মুজিবুল হক চুন্নু।  ১৯৭০ সালে তিনি কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাস করেন। ১৯৭২ সালে এইচএসসি পাসের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ১৯৭৯-৮০ সালে অনার্স ও ১৯৮০-৮১ সালে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন।

ছাত্র জীবনেই তিনি ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন। ১৯৮০-৮১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মোহাম্মদ মহসিন হলের ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৮৮-৯০ সাল পর্যন্ত তিনি রেড ক্রিসেন্ট কিশোরগঞ্জ জেলা ইউনিটের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

মুজিবুল হক চুন্নু ছাত্রাবস্থায় মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে ১১ নম্বর সেক্টরে তিনি সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ করেন। ১৯৭৮-৮০ সাল পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮০-৮৬ সাল পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
 
সহকারী জজ (বিসিএস জুডিশিয়াল) হিসেবে চাকরিজীবন শুরু করেন মুজিবুল হক চুন্নু। সমাজের সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করার জন্য তিনি ১৯৮৬ সালে চাকরি ছেড়ে রাজনীতি শুরু করেন এবং পরবর্তী সময়ে আইন পেশায় যোগ দেন। ১৯৮৬ সালে তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার জাতীয় পার্টির সভাপতি নির্বাচিত হন। একই বছর তিনি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হন। ১৯৮৮ সালে পুনরায় জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ ও ২০১৩ সালেও তিনি সংস সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি জয় পান।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত